সরিষাবাড়ী পিডিবি কর্মকর্তা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে এক তৃতীয়াংশ বিদ্যুৎ বিল পকেটস্থ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পিডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদার মিটার ইউনিটের উপর বিল না করে মনগড়া গড় বিল উত্তোলন করে যেমন সরকারকে রাজস্ব ফাঁকিতে ফেলছে অতঃপর এক তৃতীয়াংশ সেচ পাম্পের টাকা উত্তোলন করে তার স্বীয় পকেট ভারির অপতৎপরতায় রয়েছে বলে জানা-গেছে।

জানা-যায় বঙ্গবন্ধু হত্যার গোপন ইন্ধন দাতাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কর্তৃক বলা হয়েছিল গবেষণামূলক এমন ইন্ধনদাতাদের বের করে আনতে হবে। সেইমতে গবেষণায় লব্ধ থাকা গুণীমহল বলেন, বাংলাদেশের সর্বেসর্বা ব্যক্তিত্ব স্বাধীন বাংলার রুপকার বঙ্গবন্ধু হত্যার গোপন ইন্ধন দাতা যারা, তাদের উত্তরসুরিরা শিষ্টাচার, মানবিক, সদালাপীর বাহিরে থেকে আগ্রাসীর অন্তরায় সাধারণ, দারিদ্র ও তাত্ত্বিক লোকদের (পিডিবি) অফিস কক্ষে পেয়ে শেষ করে ফেলার হুমকি দেয় এবং যারা সবসময় উচ্চ উইংয়ের প্রবাব খাটায় এমন (আবুবকর) কর্মকর্তাদের পূর্বব উত্তরসূরিরা ১৯৭৫’ রে দেশের দরিদ্র মানুষের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করণে ও তৎকালীন সরকারের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক অন্য দেশ থেকে ভিক্ষা করে আনা অর্থ আত্মসাত করেছিলো, সেই সকল মানুষের বংশদ্ভূত যারা এখন পর্যন্ত চরম পর্যায়ে দুর্নীতি গ্রস্থতায় রয়েছে মূলতঃ তাদের পূর্বউত্তর সূরিরা (বাপ-দাদা) এমন নেক্কার জনক কর্মকান্ড একেবারে গোপন ইন্ধনের মধ্যেদিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা যজ্ঞের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ছিল বলে, সূক্ষানুমানে উপনিত হয়েছেন গুণী মহল। জানা-যায়, সরিষাবাড়ী বিদ্যুৎ বিতরণ (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদারের বিকার গ্রস্থ রূঢ় আচরণ সমেত উদ্বিগ্ন অনিয়ম, দুর্নীতির হেতু এমন তথ্য উপাত্তের সৃষ্টি করেছে। জানা-যায় সরিষাবাড়ী উপজেলার বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্র কর্তৃক দেওয়া ইড়িস্ক্রিমে সেচ পাম্পের প্রত্যেকটি সেচ পাম্প মিটার বিহীন চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সেচ পাম্পের সত্যাধীকারী তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা মিটার সংযোগের মাধ্যমে বৈধভাবে সেচ পাম্প চালাতে চাই কারণ পূর্বে মিটার দিয়ে একটি মৌসম করেছিলাম। আমরা তখন ইউনিট বিল চারভাগের একভাগ পেয়েছিলাম। এখন আমাদের মিটার ছাড়া বিল আসে তার তিন গুণ। এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা (কৃষক) নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকরের সাথে কথা বললে তার সাথে অপসমন্বয়ে থাকা একজন অতি বেশী সম্পর্কিত মেজিস্ট্রেটের দাম্ভিকতায় মামলার হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে আবুবকর তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি, ক্রোধ মিশ্রিত কাঁপুনি স্বরে চরম উদ্ববেলিত কন্ঠে সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং আলোচনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংবাদকর্মীদের মামলার হুমকি দিতে থাকেন। তার সাংঘর্ষিক কথোপকথন শেষে বিদায় নেওয়ার সন্ধিক্ষণে তিনি দৈনিক আজকের প্রভাত পত্রিকার সংবাদ দাতাকে আলতো স্বরে বলেন বেশী বাড়াবাড়ি করলে একেবারে শেষ করে দিবো!

বিষয়টি পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন ও সরিষাবাড়ী থানার ওসি মীর রকিবুল হক সহিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপমা ফারিসাকে অবিহিত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে গুণীমহল বলেন, যেহেতু এদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবা একজন সাংবাদিক ছিলেন এবং তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সাংবাদিকের সন্তান হিসাবে গর্ববোধ করেছেন, সেমতে একজন সংবাদকর্মীকে শেষ করে দিবো এমন হুমকি এটা কোন ভাবেই সমীচীন নয়। যেহেতু অদ্যবধী বঙ্গবন্ধুর মতাদর্শে ও স্বধীনতার চেতনাকে বুকে লালন করছেন সংবাদ দাতারা। এমন বৈরীতার বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক মহলের প্রধান গবেষক বলেন, উপর উল্লেখিত বঙ্গবন্ধু হত্যার বিষয়টি তৎকালীন সময়ে এমন আবুবকর তালুকদারের মতো থাকা অন্যান্যরা গরীবের অন্য হরণ করেছেন। সে মতানুযায়ী দুর্নীতিতে সর্বোচ্চ শিখরে রয়ে যাওয়া সম্প্রতি নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদার তাদের মতাদর্শী। যা কিনা তার দুর্নীতি কারণে সোনার বাংলা গড়ার চরম ব্যত্যয় ঘটেছে। জানা দরকার ৭১’রে তার (আবুবকর) বাপ দাদারা কোন সরকারি আনুগত্য করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে তৎসময় কি স্বাধীনতার চেতনায় তারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন, নাকি স্বাধীকার বিরোদ্ধাচরণ করেছিলেন? যদি তার বাপ-চাচারা মুক্তিযুদ্ধা হয়ে থাকেন তাহলে ইতিহাস বেত্তারা তাদের তালিকায় অন্তর ভুক্তি করণের সময় সাধুবেশে থাকা কোন যুদ্ধাপরাধীদের প্ররোচনা ছিল কিনা? এ বিষয় খতিয়ে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক গবেষক মহল।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'