অলৌকিকত্বায় সৃষ্টি মহাজগৎ বিগব্যাং এর ধামাকায় নয়

স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সরিষাবাড়ী উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের আরএমও সাহেদুর রহমান সাহেদের অনিয়ম বিষয়ক গবেষণামূলক প্রতিবেদন

ছবিঃ বিগব্যাং মহাবিস্ফোরণ অতঃপর দ্রুত সম্প্রসারণ

অলৌকিকত্বায় সৃষ্টি হয়েছিলো মহাজগৎ। বিগব্যাং এর মহা ধামাকায় নয় বলে জানিয়েছেন অন্তরালের গুণীদের অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক গবেষক মহল। তারা বলেন, মূলতঃ সৃষ্টিকর্তা অর্পিত, প্রত্যার্পিত এক (০১) ইশ্বর। অর্থাৎ সৃষ্টি কর্তা একজন। বস্তবাদ মতান্তরে তিন লক্ষ বছর আগে সর্বপ্রানোবাদ থেকে বিবর্তন হয়ে , অবতারবাদ , দৈতবাদ ও বহুশ্বরবাদের পর একেশ্বরবাদে ধাবিত হয়েছিল মানুষ। দশ (১০) হাজার বছর আগে এই নীলমনিতে (পৃথিবী) পরম অস্তিত্ব হতে এসেছিল মানুষজাতির পূর্বোত্তরসুরি আদম-হাওয়া। অথচ সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক সৃষ্ট মানুষের (পদার্থবীদ) মতবাদ প্রায় তিন লক্ষ বছর আগে মানুষ জাতির পূর্ব পুরুষরা ছিলো। আবার ধর্মীয় মতান্তরের আলোকপাতে বোধগম্য হয় দশ (১০) হাজার বছর আগে পৃথিবীতে মানুষজাতির আগমন হয়েছিলো। মূলতঃ এমন মতপার্থক্যের কারণে মানুষজাতির মধ্যে ইশ্বর তথা ধর্ম বিদ্বেষী মানুষের সৃষ্টি হয়ে ছিলো। অতঃপর সেই মতে তারা (ইশ্বর বিদ্বেষী) জনবল, গুষ্টি গত শক্তি , সংখ্যা গরিষ্ঠতা, সম্রাজ্যবাদ আগ্রাসীর অন্তরায় মূলতঃ ঈশ্বরের মানবিক সূত্রনীতিকে কুক্ষিগত করে অমানবিক নীতি বহালে সক্ষম হয়েছিলো তারা। মূলতঃ সৃষ্টিকর্তার ওহি মানব জাতির কল্যাণে ব্যর্থ হয়ে বেশীর ভাগ অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে। আব্রাহামীয় ধর্ম মতে মুসলিম, খৃষ্টান ও ইহুদিরা একেশ্বরবাদ বিশ্বাসী হলেও মূলতঃ ইশ্বরকে সনাক্তের অংক বা সূত্র মতে অর্পিত, প্রত্যার্পিত একেশ্বরবাদ কর্তৃক পরম অস্তিত্বে সৃষ্টি পার্থিবে আগুন্তক মহা মানবের সাথে সৃষ্টিকর্তার মহাসমন্বয়ে অলৌকিকত্বায় সৃষ্টি হয়েছিল মহাজাগৎ। বিগব্যাং এর মহা ধামাকায় নয়। মূলতঃ ইশ্বর মহাজাগৎ সৃষ্টি করণের পর পৃথিবীতে প্রেরণ করেছিলেন মানুষকে। অথচ মহান,পরম করুনাময় আল্লাহ্ কর্তৃক সৃষ্ট মানুষ জাতির বস্তূবাদ মতান্তর তিন লক্ষ বছর আগে বর্তমান মানুষ জাতীর পূর্ব পুরুষ ছিলো, মুলতঃ এমন মতপার্থক্য বহির বিশ্ব সমেত স্বীয় দেশের রাষ্ট্রে ইশ্বর বিদ্বেষী নীতির প্রক্ষেপণের জন্য তাদের (উর্ধতন) অনিয়মের সাথে সমন্বয়কারীরা সরকারী আনুগত্যে ধোঁকা দেওয়ার হেতু এমন তথ্য উপাত্তের সৃষ্টি করেছে।

জানা-যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের সরকারী আনুগত্য হীনতায় থাকা আরএমও সাহেদুর রহমান সাহেদ তার স্বীয় এলাকার (সরিষাবাড়ী) দাপট খাটিয়ে, চরম দাম্ভিকতা পোষণে মূলতঃ সরকারী আনুগত্যকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যাওযার প্রয়াস সাধারণ মানুষের মাঝে এক ধরণের মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। গত বিশ বছর ধরে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে যত মেডিকেল অফিসার আরএমও’র আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে তারা সকলেই মূলতঃ সরকারী আনুগত্য রোগী দেখার পাশা-পাশী ক্লিনিকেল সেকশনের দেখভাল করতেন। কিন্তু মানুষিক বিকার গ্রস্থ বর্তমান আরএমও সাহেদুর রহমান সাহেদ এই পদে আসীন হবার পর তৎসময় মুরাদ এমপি’র পিএস জাহিদ নাঈমের দাম্ভিকতায় রোগী দেখার তালিকা (রোস্টার) থেকে তার নাম উড্ডু করে। তিন মাস ধরে রোস্টারে নাম নেই এবিষয়ে আরএমও সাহেদুর রহমান সাহেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন মাস নয় এক বৎসর ধরে রোস্টারে আমার নাম নেই। এবিষয়ে নাম না বলার শর্তে একজন বলেন, উনি ক্লিনিকেল সেকশন দেখবেন, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সেকশন নয়। আউটডোর, ইনডোরে কোনো ওষুধ আছে কিনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রাংশের ত্রুটি সহিত স্টোরে ওষুধের মজুদ কতটুকু তা সহ আরো অন্যান্য বিষয়ে দেখবেন তিনি। উনি (আরএমও) যদি রোগী না দেখেন তাহলে বুঝবেন কিভাবে যে কোন ওষুধ সরবরাহ আছে আর কোনটি নাই। উনি বলেন, একজন ডাক্তার সৃষ্টি হয় মূলতঃ রোগীকে সেবা করার জন্য আর সরকারী চাকরীরত হলে রোগী দেখার পাশা-পাশী যদি অফিসিয়ালি পদোন্নতি হয় তাহলে সেটা তার স্বার্থকথা বা সফলতা। অথচ যদি তার পদোন্নতি হওয়ায় মূলতঃ রোগী দেখার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ে সর্বাদ্বা ব্যস্ত থাকে তাহলে এটা কোনো ভাবেই সমীচীন নয়। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর মতাদর্শ ছিলো, সরকারি আনুগত্য কারীদের স্বীয় স্বদেশ প্রেমই উত্তর, উত্তর উন্নয়ন বৃদ্ধি সহিত একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। যা একমাত্র সরকারি আনুগত্যকারীর অনিয়ম রোধেই সম্ভব হবে। অতঃপর একই অবস্থায় সারাদেশের সকল উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের অনিয়ম সমেত সরিষাবাড়ী উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের আরএমও সাহেদুর রহমান সাহেদের এমন সরকারী আনুগত্যে ফাঁকি সহ অন্যান্য অনিয়ম রোধে যথা-যথ কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক তথা মানবিক দৃষ্টি গোচর জরুরী বলেও জানান তিনি।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'