ঘুমন্ত অবস্থায় ফুটন্ত তেল শরীরে ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পি়ংনা বাজার গ্রামের চাঁন মিয়ার পুত্র সজনু মিয়ার সাথে সিরাজ গন্জের কাজীপুর থানার মুনছুর নগর ইউনিয়নের রাজনাথ পুরের চাঁন মিয়ার কন্যা স্বর্ণা আক্তারের (২৫) সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের পর সজনু মিয়া নানা ভাবে স্বর্না আক্তারকে তার বাবার কাছ থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিলে, তিনি বাবার বাড়ী হতে টাকা না আনতে পারায় সবসময় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। জানা-যায় টাকা আনতে না পারায় স্বর্না আক্তারের স্বামী সজনু মিয়া তাকে তালাকো দিয়েছিলেন। পরে আবারো বিবাহ করেন তারা। স্বর্না আক্তার তার স্বামী সজনুর বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছিলেন। পরে সামাজিক ভাবে মিমাংসা হয়। অতঃপর ঢাকার জিরানী বাজারে তাদের সংসার চলার সময়ে গত ২৪/০৯/২০২১ই়ং তারিখে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বর্না আক্তারের শরীরে ফুটন্ত তেল ঢেলে স্বার্থান্বেষী , ভন্ড সজনু মিয়া তাকে হত্যার চেষ্টা করলে, তিনি (স্বর্না) প্রানে বেঁচে গেলেও অর্থিক অনটনে থাকা স্বর্না আক্তারকে জিরানী বাজার থেকে তার বড় বোন চামেলী সরিষাবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ময়মনসিংহ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করেন। জানা-যায় ষাট (৬০) শতাংশ পুড়ে যাওয়া মৃত্যু পথযাত্রী স্বর্না আক্তার এখন আহত পাখির মতো চিকিৎসার সঠিক গন্তব্য হীনতায় রয়েছেন।

এবিষয়ে স্বর্না আক্তারের বড় বোন এই প্রতিবেদক কে বলেন, এর আগেও অনেকবার মাইর পিট করে আমার ছোট বোন স্বর্নাকে অজ্ঞান করে ফেলেছে এ বিষয়েও কোনো বিচার পাইনি। সত্যকথা কথা হচ্ছে গরীবের বিচার নেই বলে জানান তিনি? অসহায় স্বর্না আক্তার দুই সন্তানের জননী। এদিকে পিতার স্নেহ থেকে বঞ্চিত সন্তান দুটি ,মায়ের সুস্থ তায় একমাত্র আল্লাহ তায়ালার দিকে তাকিয়ে আছেন। বাবা থাকতে ইয়াতিম এবং মা থাকতে অনাথ শিশু দুটির কান্না সহ্য করা যায়না বলে জানান এলাকাবাসী।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'