সরিষাবাড়ীতে নৌকার মনোনয়ন চান প্রায় ৭০ জন প্রার্থী

তবে এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন যারা

পাট, সরিষা এবং গরুর গাড়ী এই নিয়ে সরিষাবাড়ী। নদী বিধৌত প্রাচীন ডান্ডি খ্যাত ২৬৩. ৫০ বর্গ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য সমেত প্রস্থ জামালপুর জেলার সরিষারাড়ী এই উপজেলাটির উত্তরে অবস্থিত মাদারগঞ্জ , দক্ষিণে ভূঞাপুর, পূর্বে গোপালপুর ও ধনবাড়ি। পশ্চিমে সারিয়াকান্দি, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা। এই উপজেলাটি ৮ টি ইউনিয়ন এবং ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। ১৯৬০ সালে সরিষাবাড়ী থানা গঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে তা উপজেলায় রুপান্তরিত হয়।

স্বাধীনতার চেতনায় মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া এই উপজেলাটি আওয়ামীলীগ অধ্যুষিত হলেও স্বাধীকার পর হতে এখন পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিচক্ষণ নেতৃত্বের অভাবে উপজেলাটি বিএনপি অধ্যুষিত হলেও পরবর্তীতে সংবেদনশীল ও ত্যাগী আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে পূণরায় এই এলাকার (সরিষাবাড়ী) সাধারণ জনগণের ভোট সমর্থন তথা নির্বাচনের মধ্যেদিয়ে আবারো আসনটি ফিরে পান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। জাতীয় সংসদ নির্বাচন পৌর নির্বাচনের জয়জয়কার শ্রবণের অন্তরায় অতঃপর সেই ধারাবাহিকতায় আবারও এসেছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

সারাদেশের ন্যায় জামালপুর জেলার ৭ টি উপজেলার ৬৮ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, কিন্তু ভয়াবহ করোনার কারণে সম্ভাব্য তারিখ বার বার পেছানো হলেও পূর্ব প্রস্তুতি সূরুপ ১লা এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় নৌকা মার্কায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মনোনয়ন ফর্ম কেনার দিন ধার্য করেন জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ। পরবর্তীতে তা বর্ধিত করে ১৩ই এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সেই মতে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন হতে প্রায় ৭০ জন প্রার্থী জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় হতে মনোনয়ন ফর্ম ক্রয় করেন অতঃপর মনোনয়ন পত্র জমাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেন বলে জানা-যায়। সবচেয়ে বেশি নৌকা মার্কায় মনোনয়ন ফর্ম ক্রয় করেছেন সাতপোয়া ইউনিয়ন হতে।

এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বেশীর ভাগ নবীন এবং সাবেক জনপ্রতিনিধিত্বের দায়িত্বে থাকা প্রবীণদের সমন্বয়ে হচ্ছে। বহুল পরিচিত মানবিক তথা প্রবীণ ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা দুঃসময়ে আওয়ামীলীগের কান্ডারি, বিএনপি’র প্রতিহিংসার স্বীকার চার বার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সামস উদ্দিন (চেয়ারম্যান) এবারও নির্বাচনে প্রার্থীতা করছেন বলে জানা-গেছে। তবে পোগলদিঘা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক এমএ জলিল রতনও এই ইউনিয়নের জন্য নিজেকে যোগ্য বলে দাবি করছেন। তাছাড়াও পিংনা ইউনিয়ন হতে ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম, এডভোকেট রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান,  আওনা ইউনিয়ন হতে সাবেক চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক গুদু, আনোয়ার হোসেন রাঙ্গা, ডোয়াইল ইউনিয়ন হতে নাসির উদ্দীন রতন ও আব্দুর রাজ্জাক স্বপন, সাতপোয়া ইউনিয়ন পরিষদ হতে রাজু আহমেদ (ডিলার), সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কেএম সোহেল রানা, কামরাবাদ হতে যুবলীগ সভাপতি একেএম আশরাফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান মানিক, সালাম জিএস, মহাদান ইউনিয়ন হতে আনিসুর রহমান জুয়েল, আজমত আলী মাষ্টার, কামাল পাঠান, ভাটারা ইউনিয়ন হতে বর্তমান চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন বাদল এবং রফিকুল ইসলাম (রফিক) এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে লোকমুখে শোনা যাচ্ছে ।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'