সরিষাবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমেত লাখো শহীদের স্মৃতিচারণে পুষ্পস্তবক অর্পণ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা সমেত লাখো শহীদের স্মৃতিচারণে সরিষাবাড়ী মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শহীদ মিনারে পূস্পস্তবক অর্পণ করেছেন সরিষাবাড়ী ডিজিটাল প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীগণ।

জানা-যায় ১৯৭১ সালে কালো রাত্রীর সেই ২৫ শে মার্চে নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালির আত্মত্যাগ সমেত লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় তথা ইশ্বর মুখাপেক্ষী ও বাঙালি জাতির দুর্দিনে একমাত্র অবলম্বন বঙ্গবন্ধুর অনুপ্রেরণায় স্বাধীন সার্বভৌমত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২৫ শে মার্চে মধ্যরাতে ঘুমন্ত বাঙালির উপর বর্বরোচিত আক্রমণ ও নারীদের সম্ভ্রম হরণ  তথা নৃশংস হত্যা যজ্ঞের হেতু সশস্ত্র পাকিস্তানি পাকবাহিনীর প্রতি বিমুখ হওয়া ইশ্বর, তাঁর (ইশ্বর) কৃপায় ও বাঙালি জাতির দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ তথা পিছনে যাওয়ার জায়গা না থাকায় বেঁচে ফেরা মৃতদেহের স্তুূপ থেকে উঠে আসা অস্ত্রবিহীন বাঙালিদের রক্তের স্পন্দন আরো বেশী ত্বরান্বিত হওয়ায় এমন স্বাধীনতার নেশায় প্রতিরোধ্য অবস্থা গড়ে তোলার পর সম্মুখ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। তাই বাঙালি জাতির কাছে  মুক্তির প্রতিজ্ঞায় উদ্দীপ্ত হওয়ার দিনটি ছিল এই ২৬ শে মার্চ।  পাকহানাদারের বিরুদ্ধে সূর্য পৃষ্ঠে প্রজ্জ্বলিত তাপের ন্যায় সাহস সঞ্চারে উদ্বেলিত হয়ে বাঙালি জাতি এবং তৎকালীন চট্রগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগ সহ বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা সমেত একই অবস্থায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেতৃত্বস্থানীয়দের নেতৃত্বে এদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর পূর্ববর্তী আলোকপাতের মতাদর্শে আনুষ্ঠানিক ভাবে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন তারা। অতঃপর ৯ মাস রক্তক্ষয়ী  যুদ্ধের পর বীর মুক্তিযোদ্ধা সমেত ৩০ লক্ষ্য শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজ অর্জিত ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসের মধ্যদিয়ে বিজয়ের আগমন ঘটে ১৬ ই ডিসেম্বরে। তাই ৯ মাস যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শহীদ হওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ ২৫ শে মার্চের কালোরাত্রিতে পাকিস্তানি শাসকের নির্দেশনায় বাঙালি জাতির উপর নির্মম হত্যা যজ্ঞের  প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন সমেত সকল শহীদের স্মৃতিচারণে সরিষাবাড়ী ডিজিটাল প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীগণ কর্তৃক জানানো হয়েছে বিনম্র শ্রদ্ধা।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'