জামালপুরে নাটকীয় ভাবে কাটা হচ্ছে সরকারি গাছ

জামালপুর সদরের বেশির ভাগ এলাকায় সরকারি রাস্তা, খাস জমি ও সরকারি খালের পাশের সরকারী গাছ গুলো প্রতিনিয়তই কেটে নিচ্ছে প্রবাবশালী ব্যবসায়ীরা। এসব জেনেও কোন ব্যবন্থা নেন না যথাযথ কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের এসব দায় সাড়া কর্মকান্ডের জন্য সরকার হারাচ্ছে হাজার হাজার টাকার রাজস্ব। কোন আইনগত ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীরাও উৎসব মুখর পরিবেশে কেটে নিচ্ছে এসব সরকারী গাছ।

গত ১৩ জানুয়ারী সদরের তিতপল্লা ইউনিয়নের রুপসী এলাকায় সরকারী সীমানা নির্ধারিত রাস্তা হতে ৩১ টি গাছ স্থানীয় ব্যবসায়ী আসাদুল্লার কাছে বিক্রয় করে একই এলাকার ব্যবসায়ী রাজু। রাস্তার দু’পাশে ১২ নং তিতপল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা পিলার থাকলেও গাছ গুলো জব্দ করতে নানা অজুহাত দেয় ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা। অবশেষে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে ৬ দিন পর গাছ গুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এনে রাখে ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা। তবে এখন পর্যন্ত আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি প্রশাসন।

এ বিষয়ে তিতপল্লা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ফজজুল হক জানান, গাছ গুলো সরকারী জায়গায় থাকায় আমি তা জব্দ করে চেয়ারম্যানের কাছে জিম্মায় রেখেছি এবং সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।

তিতপল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ সেলিম বলেন, নায়েব গাছগুলো আমার পরিষদের মাঠে রেখেছে। নিয়ম অনুযায়ী নায়েবের একটি মামলা করার কথা, কিন্তু এতদিন হয়ে গেলো মামলা কেনো হচ্ছে না আমি বুঝতে পারতেছি না।

সহকারী কমিশনার (ভুমি) মাহমুদা বেগম বলেন, গাছ গুলো জব্দ করা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী নিলাম হবে। তবে কারও নামে মামলার বিষয়ে তিনি কিছু বলেন নি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমি নায়েব এবং এসিল্যান্ডকে বেশ কয়েকবার বলেছি ব্যবস্থা নিতে। কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা আমার জানা নেই।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'