সরিষাবাড়ীতে ধূম্রজালে রয়েছে বাদী রুবেলের ধর্ষণ চেষ্টা মামলাটি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ধূম্রজালে রয়েছে কন্যা শিশু (৭) এর পিতা বাদি রুবেলের করা ধর্ষণ চেষ্টা মামলাটি।

জানা-যায় গত ১০ নভেম্বর রুবেলের কন্যা শিশু (৭) কে মোজাম্মেল হক ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে, রুবেল মিয়া সরিষাবাড়ী থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ০৮।

গত ১০ নভেম্বর এ ঘটনার পর ১১ নভেম্বর মামলাটি হলেও অদ্যবধি আসামি মোজাম্মেল হককে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ কর্তৃক ধৃত করার নেই তেমন তোড়জোড়। অপরদিকে এই মামলাটি সমঝোতা করার জন্য এলাকায় দফায়, দফায়, শালিশ, বৈঠক, চলছে। এনিয়ে অনেকবার শালিশ দরবার হলেও সর্বশেষ ২৫ নভেম্বর শালিশ বিচারে এলাকার কিছু মাতাব্বরদের মাধ্যমে লিখিত মিমাংসায় বাদি রুবেল আপোষ হয়; অতঃপর মুঠোফোনে রুবেলকে বলা হয়, ধর্ষণ বা ধর্ষণ চেষ্টা মামলা গ্রাম্য শালিশে মিমাংসা এটা আইন বহির্ভূত; আপনি কিভাবে আপোষ হলেন? উত্তরে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমি পরিস্থিতির স্বীকার। অতঃপর আরও বলেন, বড় ভাই জীবনটা পঙ্গু করে দিলো দুইটি লোক। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কে তারা? তিনি (রুবেল) বলেন, আমার দোকানের মালিক। আমার দোকানের মালিকের রোষানল আমাকে চরম ভাবে আহত করেছে। আমার রিজিকের ব্যবস্থার মাধ্যম আমার এই দোকানটি হননের হুমকিতে গ্রাম্য শালিশে আপোষ হতে আমি বাধ্য হয়েছি।

এমন অনৈতিক বিচারে তাহার (দোকানের মালিক) উপস্থিতি ছিলো কিনা এবং রুবেলকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হমকি দিয়েছে কিনা তা মুঠোফনে জানতে চাইলে গফুর মন্ডল বলেন, এ বিষয়ে আমি আপাতত কিছু বলতে পারবনা প্রথমত বিষটি তিনি এড়িয়ে গেলেও পরে বলেন শালিশ দরবারের মাধ্যমে দুই পক্ষের সমঝোতা হয়েছে এ বিষয়ে তারাই ভালো বলতে পারবেন বলে কিছু মানুষের নাম উল্লেখ করেন তিনি। তারা হলেন, প্রফেসর শ্যামল, শহিদুল্লাহ সহ আরো কে যেন ছিলো বলে জানান তিনি।

ধর্ষণ চেষ্টা মামলা গ্রাম্য শালিশের মাধ্যম সুরাহা তা কতটুকু আইনগত বা এই মিমাংসার সম্পর্কে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ অবগত আছে কিনা ও তাদের কর্তৃক মিমাংসার কোন প্রক্রিয়া করণ হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে মুঠোফোনে মামলার আয়ু আলতাফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানায় কখনো মামলার নিস্পত্তি হয়না, মামলা তদন্তাধীনে আছে এবং আসামি কে ধৃত করণের চেষ্টা চলছে।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'