সরিষাবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ অভিযানের খবর পেয়ে পাইপ রেখে মালিকসহ ড্রেজার উধাও

ড্রেজার মেশিন অপসারণ অভিযান হবে এমন খবর পেয়ে ড্রেজার মালিকগণ পাইপ রেখে ড্রেজার মেশিন নিয়ে উধাও হয়ে যায়

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ড্রেজার মেশিন অপসারণ অভিযান হবে এমন খবর পেয়ে ড্রেজার ব্যবসা খ্যাত জগন্নাথগঞ্জ জেটি ঘাট হতে ড্রেজার মালিকগণ পাইপ রেখে ড্রেজার মেশিন নিয়ে উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

 

জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ীর সূবর্ণখালি নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ব্যবসা, বিশেষ করে তারাকান্দি রেলক্রসিং সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বে, জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাটের জেটি ঘাট, স্থলের ঈদগাঁ মাঠের পশ্চিমে এই বালু উত্তোলনের মহা রমরমা ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। এদিকে প্রশাসন কর্তৃক নিয়মিত  অভিযান পরিচালিত হলেও কিছুতেই যেনো প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না এই অবৈধ বালু উত্তোলন ব্যবসা। তাই নদী থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলন করায় ঝুঁকিতে রয়েছে তীরবর্তী বসবাসরত পরিবারগুলো।

 

প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ (২৯ নভেম্বর) সূবর্ণখালি নদীতে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট এমন ড্রেজার মেশিন অপসারণের অভিযান চালান। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আসার খবর পেয়ে জগন্নাথগঞ্জ ঘাটের অবৈধ ড্রেজার মেশিন মালিকগণ তাড়াহুড়ো করে পাইপ রেখে মেশিন নিয়ে উধাও হয়ে যান। জানা-যায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক তারাকান্দি রেলক্রসিং সংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্ববর্তী এবং স্থলের ঈদগাঁ পশ্চিম পার্শ্বে অভিযান চলাকালে  কিছু ড্রেজার মেশিন সরজমিনে পাওয়া গেলে ড্রেজার মেশিনগুলো নির্বাহী মাজিস্ট্রেট কর্তৃক  জব্দের অতঃপর তা আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

 

এই বিষয়ে নদী তীরবর্তী স্থানে বসবসরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু লোকজন বলেন, ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় আমরা অনেক ভয়ের মধ্যে আছি; কখন যেনো বাড়িঘরগুলো নদী ভাঙনে ভেসে যায়।

 

এ বিষয়ে নির্বাহী মাজিস্ট্রেট ফাইযুল ওয়াসীমা নাহারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলন দস্যু অপসারণের মধ্যে দিয়ে এমন তীরবর্তী এলাকার বসবাসরত মানুষগুলোর নদী ভাঙ্গনের ভীতিকর পরিস্থিতি লাঘবে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ড্রেজার মেশিন অপসারণের মধ্যদিয়ে কাজ করে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'