বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার নেপথ‍্যে তথা অন্তরালে ইন্দনদাতারা বস্তুনিষ্ঠ প্রজ্ঞার অনুসারী

বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার নেপথ‍্যে তথা অন্তরালে ইন্দনদাতারা অনিশ্বরবাদী বস্তুনিষ্ঠ প্রজ্ঞার অনুসারী ছিলেন। সেই ধারাবহিকতায় অদ‍্যবধি বস্তুনিষ্ঠ প্রজ্ঞার প্রক্ষেপণে অর্পিত, প্রত‍্যার্পিত, এক ইশ্বরবাদ বিধান কে বিভ্রম করে আসছিল। আংকিক মহামুহুর্ত বিহীন তথা মহাসমন্বয় ছাড়া (বিগব‍্যাংক) সাংঘর্ষিক প্রক্রিয়াকরণে অনিশ্বরবাদী বস্তুনিষ্ঠের মনগড়া নীতি সৃষ্টি করতঃ এমন নীতি কর্তৃক সত‍্যনিষ্ঠ এক ইশ্বরবাদ বিধানকে বিলুপ্ত করার পায়তারায় ছিল বস্তুনিষ্ঠ ধারার মতাদর্শিরা।

বস্তুনিষ্ঠের প্রজ্ঞামতে চলে আসা বিশ্ব গণমাধ‍্যম সমেত এদেশে তৎকালীন ১৯৭৫ সালে (১৫) আগস্টে অন্ধকারে রয়ে যাওয়া, কালো বিড়াল গুলোর অন্তর্ধ‍্যানী গুমরাহি সমেত অধিকাংশ সাংবাদিকদের প্ররোচনা ও ইন্দনে এমন নির্মম হত‍্যাযজ্ঞের ঘটনার পরিসমাপ্তী হয়েছিল বলে, সুক্ষানুমানে উপনিত হয়েছেন গবেষক মহল। স্বাধীনতার মহান স্বপতি বঙ্গবন্ধুর হত‍্যাকারীরা অবলোকন হয়েছিল, উর্ধ্বমুখি কৃষ্ণগহব্বর ও নিম্নমুখী অতলগহব্বর, সীমাহীন দূরত্বে তথা লক্ষ, কোটি, আলোকবর্ষ দূরে অবস্থানরত অদৃশ‍্য অশুভশক্তিকে চিনতে পারাটা এদেশের রাষ্ট্রীয় সরকারের বোধগম‍্যে অদ‍্যবধি আসেনি। অর্পণ, প্রত‍্যার্পণ, বিহীন অনিশ্বরবাদী ধারার আনুগত‍্যকারীরা অদৃশ‍্য অপশক্তি কর্তৃক প্রভাবিত করণে বস্তুনিষ্ঠের নীতিগত প্রজ্ঞার অনুস্বরনকারীর ইন্দনে, এমন হত‍্যা যজ্ঞের ঘটনা ঘটেছিল। একেবারে অন্তরালে অন্ধকারে কালো বস্তুর মতো এখন পর্যন্ত ছায়ার ন‍্যায়, অপশক্তিরা অদৃশ‍্য অবস্থায় রয়েগেছে এই সোনার বাংলায়। ইশ্বরবিহীন সৃষ্টনীতি বস্তুনিষ্ঠের প্রহসনে বংশ পরমপারায় চলে আসা এমন বস্তুনিষ্ঠ অনুসারীদের, সাথে অপসমন্বয়কারীরাও বঙ্গবন্ধু হত‍্যার সাথে অন্তরালে ইন্দন দিয়ে ছিলেন। সার্বজনীন নেতৃত্ব মহামানবতার আসনে অধিষ্ঠিত সুপার হিউম‍্যান আখ‍্যাবাদে থাকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এমন বস্তুনিষ্ঠ অপশক্তি কর্তৃক এখন পর্যন্ত বিভ্রম করে আসছে বলেও তথ‍্য উপাত্ত্বে বলা হয়েছে। দুই হাজার আঠারো (২০১৮) সালের দিকে হবে হয়তো, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকাতে একটি নিউজ গবেষকদের দৃষ্টি গোচর হয়েছিল। নিউজটির শিরোনামটি ছিল বঙ্গবন্ধুর খুনিরা যারা একেবারে গোপনে থেকে ইন্দন দিয়েছিল, তাদেরকে গবেষণামূলক বের করে আনতে হবে। সেই মতে বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যার নেপথ‍্যে ইন্দনদাতাদের মূলউৎপাটনের অভিপ্রায়ে গবেষণা করে আসছে, অনুসন্ধিৎসু সত‍্যনিষ্ঠ সাংবাদিক গবেষক মহল।

নীতিভ্রষ্ট বস্তুনিষ্ঠের অনুসারিদের অন্ধকারে ডুবে থাকা ব‍্যক্তিদের দৃশ‍্যমানে আনার কৌশল তথা গবেষণাকে আরো বেশী তরান্বিত করার জন‍্য তথ‍্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান তার পরামর্শের আশান্বিত মৌনতায় অভিপ্রায় ব‍্যক্ত করেছেন তারা। অতঃপর এদেশের মহান ও শ্রেষ্ঠ ব‍্যক্তিত্ব স্বাধীন সার্বভৌমত্ব অর্জনের অগ্রনায়ক বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক মতাদর্শের গবেষণায়লব্ধ তত্ত্বীয় গবেষকদের বিভ্রম করণ অতঃপর তাদের (গবেষকদের) ক্ষতিসাধনের অপতৎপরতায় থাকা সাংবাদিক সোলাইমান হোসেন হরেক গং (সভাপতি সরিষাবাড়ী প্রেসক্লাব) কর্তৃক, বঙ্গবন্ধুর হত‍্যাকারীরা অন্তরালে ইন্দনদাতাদের মূলউৎপাটন করার তৎপরতায় থাকা গবেষকদের প্রতি অবজ্ঞা সমেত গবেষকদের গবেষণায়, প্রতিবন্ধকতা যেন সৃষ্টি না করে, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেখভাল এর অনুরোধ জানিয়েছেন সরিষাবাড়ী ডিজিটাল প্রেসক্লাব।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'