নৌকা দিয়ে পারাপার হতে কি টাকা লাগতো না! তাহের চেয়ারম্যান

এ বিষয়ে অনুমতিও নেয়া আছে বলে জানান তিনি

ছবিঃ পারেপারের সময় গোপন ক্যামেরায় উঠানো

একদিকে করোনা অন্য দিকে ভয়াবহ বন্যায় সারাদেশের ন্যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ব্রীজ কালভার্টের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বন্যা পরবর্তী সময়ে রাস্তাঘাট দ্রুত মেরামত গ্রহণ করার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা থাকলেও দৃশ্যমানে তা তেমন চোখে পড়েনি।

এই সুযোগে কিছু অসাধু লোকজনের যোগসাজশে সরিষাবাড়ী উপজেলার শিশুয়া ব্রীজের ভাঙা অংশে পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকো বসিয়ে গ্রামের অসহায় লোকজনের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট সকালে এই বিষয়ে সরেজমিনে খোঁজ নিতে গেলে দেখা যায়, শিশুয়া ব্রীজের পশ্চিম পাশে ভাংগা অংশে কিছু অসাধু লোক বাঁশের সাঁকো বসিয়ে মোটরসাইকেল একবার পারাপার হতে নিচ্ছে ১০ টাকা এবং পায়ে হেঁটে পারাপারের জন্য নিচ্ছে ৫ টাকা।

এ বিষয়ে পারাপারের সময় সাতপোয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ তাহের মিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘ অনুমতি নিয়েই এই কাজ করা হচ্ছে, তাছাড়াও নৌকা দিয়ে পার হলে কি টাকা দেয়া লাগতো না, প্রশ্ন করেন এই প্রতিবেদককে ও আশেপাশের ভুক্তভোগীদের।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলার এলজিইডি’র  প্রধান প্রকৌশলী রাকিব হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের কাজের জন্য কোন ধরনের অনুমতি প্রদান করা হয় নি, যদি এই কাজ কেউ কাজ করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'