শিমলাপল্লী যুবলীগ নেতাদের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে ১৬তম গ্রেনেড হামলা দিবস পালিত

সেদিন আকাশে কোন কালো মেঘের ঘনঘটা ছিলনা। উদীয়মান সূর্যটা মাথার উপর রোদ্দুর আলোকছটা নিয়ে খেল ছিল বাতাসের সাথে। বাতাস বইছিলো আপনমনে। তার সাথে দোল খেলছিল আকাশে বাতাসে জয়বাংলা শ্লোগানের দুঃসাহসিক প্রতিবাদী মিছিলের ছন্দমালা। এদিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মিক উত্তরসূরি বসে ছিলেন মঞ্চস্থ শিরোমণি হয়ে। কিন্তু লোকচক্ষুর অন্তরালে পরিবেশটা ছিল ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞের চাঁদরে ঢাকা। অমিত্রদের উদ্দেশ্য ছিল শেখ পরিবারের শেষ প্রদীপকে নিভিয়ে দেয়া। কিন্তু কথায় আছে “রাখে আল্লাহ মারে কে”। সেদিন পাকিস্তানি দোসরেরা নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ছিল সত্যি, কিন্তু গ্রেনেড হামলায় মারতে পারেনি দীপ্ত প্রদীপ শিখা শেখ হাসিনাকে। বুক পেতে বুলেট ও গ্রেনেড তুলে নিয়ে ছিল মুজিব প্রেমী ২৪ জন শহীদ। শেখ হাসিনাসহ আহত হয়ে ছিল প্রায় পাঁচশতাধিক নেতাকর্মী। 

নৃশংস ২১ আগস্ট, ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৬ তম বিভীষিকাময় রক্তাক্ত দিবসে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিনম্র শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছেন সকল শহীদের।

যার শ্রুতিধরে শুক্রবার (২১ আগষ্ট) বিকাল ৪টায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভাস্থ ৫ নং ওয়ার্ডের শিমলাপল্লী পৌর যুবলীগ নেতৃবৃন্দ আয়োজন করেন এক স্মরণসভা, দোয়া ও কাঙ্গালিভোজের। উক্ত দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বিশ্বস্ত ও দায়িত্ববান ব্যক্তি সাখায়াতুল আলম মুকুল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সরিষাবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের ৮২২ এর কার্যকরী সভাপতি মোঃ মোবারক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আঃ করিম সরকার, সরিষাবাড়ী পৌর আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক চাঁন মিয়া চানু, সাংবাদিক গুলজার হোসেন, যুবলীগ নেতা ছামিউল খাঁ ও এম.ডি রানা সরকার সহ কামরুল, মওলানা, বাবু, লিখন, রাজু, সজীব, হাবিল ও সাদ্দাম প্রমুখ।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'