ছোটবেলা বাবা’র মুখে জয়বাংলা স্লোগান শুনেই বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসা, শোকদিবসে বললেন রফিক

আজও পথভ্রষ্ট হইনি, শত নির্যাতন নিপীড়ন হওয়ার পরেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে আমি অটল

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে আবেগ আপ্লুত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক বললেন বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতে শিখেছি ছোটবেলা বাবার মুখে জয়বাংলা স্লোগান শুনে। যদিও তখন রাজনীতি কি বুঝিনি। তবুও ভালো লেগেছে এই অনুপম সৎ, মহৎ, নিষ্ঠাবান, মানবতাবাদী মানুষটির নিষ্কলঙ্ক মুখখানি দেখে। মনে মনে সংকল্প করতাম বড় হয়ে তার মত হবো। দুস্থ অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াবো সমবেদনা জানাতে সহমর্মী হয়ে। আজও স্পষ্ট মনে আছে যেদিন হতে ভালমন্দ বুঝতে শিখেছি। সেদিন হতেই বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে হৃদয়ে ধারণ করে লালনপালন করে আসছি। আজও পথভ্রষ্ট হইনি, শত নির্যাতিত নিপীড়িত হওয়ার পরেও। কেননা মহামানবের আরেক নাম যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। মনে পড়ে এই মহাত্মা’র অনেক শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করেছি বাড়ীবাড়ী মুষ্টি চাল তুলে। তবুও সংশয়ে থেকেছি, কখন যেনি হামলা করে, মামলা করে ঐ পাকিস্তানের দোসর দালাল বিএনপি জামাতের প্রেতাত্মারা। আজ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে আমরা মুক্ত স্বাধীন বিহঙ্গ। তবুও কিসের ভয় কিসের সংশয়। আমরা কি পারিনা, এই মহান নেতার, মহান শাহাদাৎ বার্ষিকীতে অঙ্গীকার বদ্ধ হতে। আসুন আজ থেকে স্বাধীনতা বিরুদ্ধী সকল অপশক্তি, অপতৎপরতা ও অপকৌশলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। নিজেদের মনের দুর্বলতাকে পরিবর্তন করি রাজনৈতিক অঙ্গনকে অসুস্থ না ভেবে। রূপান্তরিত হই বঙ্গবন্ধুর দুঃসাহসিক প্রতিবাদী সৈনিক হয়ে। আর এসব কথা বললেন স্বাধীনতার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রতিবাদী নির্যাতিত নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক।

তাঁঁর সাথে একান্ত কিছুসময় কথা বলে জানা যায়, তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিজের পিতার চেয়েও বেশি ভালোবাসেন এবং তার সৃষ্ট মুজিব প্রেমি সহকর্মী সহমর্মীদের নিয়ে প্রতিবছরই বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে এই শাহাদাৎ বার্ষিকী আয়োজন করেন। তিনি আরও বলেন বাঙালি জাতির জীবনে কলঙ্কিত একটি কালো অধ্যায় এই ১৫ আগস্ট। এখান থেকেই আমাদের শিক্ষা নিতে হবে, দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিশ্রুতির। বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি হলেন একজন জীবন্ত মহাকাব্য। যার কোন পরিধি পরিসীমা নেই। তাকে জানতে হলে, চিনতে হলে তাঁর আদর্শ হৃদয়ে লালন করতে হবে এটাই চিরন্তন সত্যি এবং এর কোন বিকল্প নেই বলে জানান জাতীয় শোক দিবসে এই মুজিব প্রেমি নেতা।

জানা যায় মুজিবকে ভালবেসে নিজেস্ব অর্থায়নে নিজ বাড়ীতেই জামালপুরে সরিষাবাড়ী উপজেলার ২নং পোগলদিঘা ইউনিয়নের অন্তর্গত পাখিমারা গ্রামে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকদিবস অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সারাদিন ব্যাপী নানান কর্মসূচি উদযাপিত হয় এবং মহান নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যের উৎসর্গিত আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করে সমবেত আওয়ামী ভক্তবৃন্দ। দিনশেষে সন্ধ্যায় মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকসজ্জা প্রজ্বলিত করা হয় তাদের স্মরণে।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'