সরিষাবাড়ীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, অসন্তুষ্টি খামারিদের

উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল হতে ছোট-বড় খামারিরা নিয়ে এসেছেন তাদের যত্নে গড়া বিভিন্ন প্রজাতির নানান রঙের গরু

জামালপুরে সরিষাবাড়ীতে আসন্ন ঈদুল-আযহা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট।

হাটগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল হতে ছোট-বড় খামারিরা নিয়ে এসেছেন তাদের যত্নে গড়া বিভিন্ন প্রজাতির নানান রঙের গরু। বিক্রেতাদের সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আর ক্রেতাদের পছন্দনীয় গরুটি কেনার সন্ধানে ঘোরাফেরা এবং ক্রেতা বিক্রেতার দামের কষাকষি নিয়ে যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে এবারের ঈদের কোরবানি পশুর হাট। কিন্তু গরু খামারিদের হতাশাব্যঞ্জক অভিযোগ, তারা যে যত্ন ও খরচা করে লালন পালন করেছেন কোরবানির পশু। তা বিক্রি করে তারা আশান্বিত পারিশ্রমিক মূল্য পাচ্ছেন না বলে জানান ।

এর কারণ হিসেবে জানা যায় বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং ভারী বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে বন্যা, দুইয়ে মিলে যেন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলেছে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক অবস্থা। যার প্রেক্ষিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষদের কোরবানি দেওয়ার স্বপ্ন গুটিয়ে গেছে । পাশাপাশি উচ্চবিত্তদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নেই বলে মন্তব্য করেন খামারি পাপন। তিনি আরও বলেন এবার কমপক্ষে ২০-২৫ শতাংশ কোরবানী কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা একমাত্র সরকারি চাকরিজীবী ছাড়া সকল শ্রেণীপেশা মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ বলে জানান।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য কোরবানির পশু কিনতে এসেছি, এতে দাম কমবেশি বুঝিনা। তবে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা বেশি ভালো নেই বলে সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেন। অপরদিকে করোনাকালীন সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার লক্ষ্যে অনলাইন অ্যাপস এর মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির পশু। তাই কোরবানির হাটগুলোতে গত বছরের তুলনায় এবার পশুর সংখ্যা অনেক কমে গেছে বলে জানান হাট পরিচালকেরা।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'