সরিষাবাড়ীতে বিষপানে কিশোরীর অপমৃত্যু

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে এক ১৪ বছরের কিশোরী।

জানা গেছে সে উপজেলার ৬নং ভাটারা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কুটুরিয়া গ্রামের কামাল হোসেনের একমাত্র বড় মেয়ে কাকলি।

মৃত কিশোরীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কামাল হোসেন তার সপরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন এবং গার্মেন্টসে চাকুরী করেন। গত তিনমাস যাবৎ তার ছেলেমেয়েসহ ও স্ত্রীকে গ্রামের বাড়ীতে রেখে যান কামাল হোসেন। এদিকে কামাল হোসেনের স্ত্রী জহুরা বেগম বলেন, করোনার লকডাউন থাকার কারণে আমরা বাড়ীতে এসেছি। আমার ছেলেমেয়ে দুইজন।বড় মেয়ের নাম কাকলী(১৪) এবং ছোট ছেলের নাম জীবন(৫)। আমার মেয়ে কাকলী ছোটবেলা থেকেই সে জেদী ও বদরাগী। তাকে কিছু বললেই সে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙ্গচুর করতো এবং খানাপিনা বন্ধ করে দিত। তাই তাকে আমরা বেশি কিছু বলতাম না। গতকাল সাংসারিক কাজকাম করে না বলে আমি একটু বকেছি। তাই সে অভিমান করে আজ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ঘুম থেকে উঠে সকলের চক্ষু আড়ালে বিষপান করে। আমি ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি কাকলী বমি করছে এবং বমিতে বিষের গন্ধ পেয়ে আমি তৎক্ষণাৎ চিৎকার দেই। তখন সবাই এসে তাকে ধরাধরি করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় এবং হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এমতাবস্থায় উক্ত বিষয়টি সরিষাবাড়ী থানায় জানানো হলে থানার কর্তব্যরত অফিসার এস আই আশরাফুল আলম ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সত্যতা পান এবং লাশটির সুরুতহাল শনাক্ত করেন। এ নিউজটি লেখার আগপর্যন্ত সরিষাবাড়ী থানায় কোন এ বিষয়ে মামলা হয়নি এবং বাদী পক্ষের কোন অভিযোগ নেই বলে সূত্রে জানা যায়।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'