সরিষাবাড়ীতে চরাঞ্চালের ভানবাসি মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

এই সময় ২৯০ জন বন্যার্তদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়

 ভুলের প্রতিশোধ নিচ্ছে পৃথিবীর প্রকৃতি। তা সত্যিই যেন সকলেরি অজানা। একদিকে অদৃশ্য প্রাণঘাতী করোনা, আরেকদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়বৃষ্টি বন্যা। সবকিছু মিলে যেন এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে জীবনযাপন করছে তৃণ মূলের অসহায় দিনমজুর মানুষগুলো। আজ করোনার তাণ্ডবে সামাজিক দুরত্ব বেড়েছে মানুষের। তবুও যেন কমতি নেই, থেমে নেই সরকারের সকল প্রকার সহায়তা। যার বাস্তবিকরূপ পরিলক্ষিত হচ্ছে বিভিন্ন প্রণোদনা ও ত্রাণ সামগ্রী উপহারের মধ্যদিয়ে বলে উল্লেখিত।

সাম্প্রতিক অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলের স্রোতে যমুনার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যায় প্লাবিত হয়েছে যমুনার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। যার মধ্যে রয়েছে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ১নং সাতপোয়া ইউনিয়নের কিছু চরাঞ্চাল এলাকা। আর এই চরাঞ্চাল এলাকার পানিবন্দী অসহায় কর্মহীন দরিদ্র মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের নির্দেশনা দিয়েছেন জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ী আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য তথ্য প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই রোজ সোমবার বিকেলে নৌকা-যোগে চরাঞ্চালে বানভাসি কয়েকটি গ্রামে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থ বছরের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ১০ কেজি করে চাল ২৯০ জন বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়। উক্ত বিতরণকৃত এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল বাঘমারা, চর শিশুয়া, চর সরিষাবাড়ী ও দাসের বাড়ী এবং ঘোড়ামারা বাজারস্থ এলাকা। আর এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, তথ্য প্রতিমন্ত্রীর আস্থাভাজন ব্যক্তি সাখাওয়াতুল আলম মুকুল, সাতপোয়া ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের এবং প্রতিটি এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার সহ এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'