চা-শ্বাসকষ্ট তথা হাঁপানি রোগে কার্যকর ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সহায়ক

জানিয়েছেন অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক গবেষক মহল

সঠিক নিয়মে মানসম্মত চা-পানে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ হবে বলে জানিয়েছেন অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক গবেষক মহল। চা-নামক শব্দটা বলতে গেলে যার নাম সবার আগে উঠে আসে পাঁচহাজার বছর আগে চীনের সম্রাট শেন নাংয়ের। তাঁর অপ্রত্যাশীত উদ্ভাবন আজকের চা-য়ে উঠা ধোঁয়ার পর্দার পিছনের ইতিহাস। সম্রাট শেন নাং প্রকৃতির মধ্যে থাকা প্রাই সাকুল্য গাছ পালা, তরু লতার নির্যাস তাঁর জীবদ্দশায় চেখে দেখেছেন এবং বার্ধক্য কালীনে অবস্বাদ দূরীকরণ ও সাবলীল জীবন যাপন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতঃ জীবনীশক্তি উন্নতি করণের পরামর্শকার ও দিক নিদর্শক ছিলেন তিনি। প্রকৃতি প্রেমী সম্রাট শেন নাং একদা বার্ধক্য জনিত ক্লান্তি দূর করায় ব্যার্থ হলে, তাঁর স্বকীয় চিকিৎসা তথা সারাজীবনের অভিজ্ঞতা ও অন্তর্ধ্যানী চিন্তায়, বুঝতে পেরেছিলেন যে, ফুঁটানো সহনীয় গরম পানি পানে ক্লান্তি দূর হতে পারে। একদিন তিনি উন্মুক্ত জায়গায় একটি পাত্রে পানি জ্বাল করছিলেন তা পান করার জন‍্য, এমতাবস্থায় কোথা হতে কয়েকটি উড়ো পাতা এসে পড়ে তাঁর জ্বাল হওয়া পানির পাত্রে। সম্রাট শেন নাং তাড়াতাড়ি করে পাতা গুলো জ্বাল হওয়া পানি থেকে তুলে আনার চেষ্টা করলে, পাতার নির্যাস পানিতে মিশে তৎক্ষনাৎ পানির রং লাল খয়েরি হওয়ায়, সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক উপহার ভেবে তিনি তা পান করেন। অতঃপর তরিৎ গতিতে অবস্বাদ তথা ক্লান্তি দূর হয়ে চনমনে ভাব লাগতে শুরু হয় তাঁর। বার্ধক্য জনীত শারীরিক দুর্বলতা ও মানুষিক অবস্বাদ দূরিকরণের অপ্রত্যাশীত উড়ো পাতার উৎস সনাক্ত করণে অনেক খোঁজা-খুঁজির পর তা পাওয়া গিয়েছিল ক্যামিলিয়া সিনেনসিস গাছ হতে। আজকে যার বিশ্বে পরিচিত নাম হচ্ছে চা।চা-পাতায় বিদ্যমান ক্যাফিনের নিকট আত্নীয় থিওফাইলিন ও থিওব্রোমিন শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানী রোগে কার্যকর সমেত সঠিক পরিমাণ গ্রহনে সম্প্রতি বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সহায়ক হবে বলে গবেষকদের অভিমত। তৎকালীন বৃটিশ কর্তৃক চা-কে বলা হতো টাইফু যার অর্থ (আপনা আপনি) চিকিৎসক। চা-য়ে বিদ‍্যমান উপাদান ক্যাফিন পরিমাণমত গ্রহণ শরীরকে সতেজ করে, তেমনি অনির্দিষ্ট পরিমাণ গ্রহণ মস্তিষ্কের স্নায়ূকোষ (NEURON) প্রভাবিত হওয়ায় নানাবিধ সমস্যা সমেত মস্তিষ্কের উগ্রতা বাড়ায় ও শারীরিক স্ফুর্তিতে চরম ব্যত্যয় ঘটায়। অতঃপর খাদ‍্যাভাসে সম্পূরক খাদ‍্যের ঘাটতি ও প্রোটিনের পর্যাপ্ত অভাবে ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধ IGM সেকেন্ডারী IGG রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হ্রাস এমন বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস দক্ষিণ এশিয়ার ভারত সমেত বাংলাদেশকে চরম ঝুঁকিতে ফেলবে। চা-পাতার নির্যাস সেবনে ক্লান্তি রোধ অতঃপর জীবনীশক্তি বাড়িয়ে শারীরিক স্ফুর্তিকে তরাণ্বিত করতো, আজ সেই চা নিয়ম অনুযায়ী পান না করায় এবং টেনিন নামক বিষাক্ত উপাদানের যথেচ্ছাচার গ্রহণ সমেত ভেজাল খাদ‍্যের জন‍্য অল্প বয়সে অকাল বার্ধক্যে চলে যাওয়ায় মানব দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার হেতু এমন তথ্য উপাত্ত্বের সৃষ্টি করেছে।

জানা-যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আরামনগর বাজার, শিমলা বাজার ও উপজেলাটির ছোটখাটো বাজার সহ প্রান্তিক পর্যায়ে চা-য়ের স্টল গুলোতে সরকারকে রাজস্ব দেয়না এমন অস্বাস্থ্যকর নামে বেনামে চা-পাতা বাজারজাত রোধে ও মানসম্মত চা-(তাঁজা, ইস্পাহানী, ফিনলে, লিপটন ও ঢাকা টি) পানে সাধারণ জনগণকে উৎসাহিত করণের মধ‍্যেদিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আনুগত্যে থাকা জণপ্রশাসনের দেখভালে অনেকাংশে করোনার ঝুঁকি কমে আসতে পারে বলেও তথ‍্য উপাত্ত্বে বলা হয়েছে। মানহীন চা-পাতা বাজারজাত রোধের বিষয়ে স্বাধীনতার স্থপতি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কন্যা সুপার হিউম্যান আখ্যাবাদে থাকা প্রধানমন্ত্রীর স্নেহসপদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তথ্য প্রতিমন্ত্রী জামালপুর-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ডাঃ মুরাদ হাসানের হস্তক্ষেপে জামালপুরের প্রত‍্যেকটি উপজেলা সহ একই শংকায় বাংলাদেশের প্রত‍্যন্ত অঞ্চলে এমন নিয়ম বহির্ভূত বেশি বেশি চা-পানের মাধ‍্যমে মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফিন গ্রহণ সমেত চা-য়ের স্টল দোকানিদের স্বার্থান্বেষী মননশীলতায় অতিরিক্ত লাভের আশায় কেটলিতে দেয়া চা-পাতাকে প্রথম জ্বালের পর তা বার-বার জ্বাল করণে চা-পাতা থেকে বেরিয়ে আসা বিষাক্ত উপাদান টেনিন গ্রহনের যথেচ্ছাচার বন্ধের মধ‍্য দিয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের আশাবাদ ব‍্যক্ত করেছেন “স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর এক (০১) আদর্শের তত্ত্বীয় গবেষণাগারের” অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক গবেষক মহল।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'