হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী বেলকুচির নাজমুল হোসেন

বিশ্ব যখন করোনা মহমারিতে আচ্ছন…! চাকরি হারা বিশ্বের কোটি মানুষ । শহর ছেড়ে চলে আসছে গ্রামের পানে । অনেকটা দূর্বিষহ জীবনযাপন করছেন চাকরি হারা মানুষগুলো…!

এমন সময়ে হাঁস পালন করে সফলতার বার্তা ছড়াচ্ছে বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নাজমুল হোসেন (২৫) ।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা চরাঞ্চল সমৃদ্ধ এলাকা ।
উপজেলাটি তাঁতের জন্য ও বিখ্যাত কিন্তু তাঁতশিল্পে অনেকটা স্থবিরতা নেমে এসেছে করোনার জন্য । অনেকে হয়েছে কর্মহারা ব্যাতিক্রম নাজমুল হোসেন । তিনি পারিবারিক ভাবে ২০০ হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেন তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি । হাঁস পালনে তুলনামূলক খরচ কম এখন যেহেতু বর্ষা মৌসুম সেহেতু হাঁস পালনে সেরকম কোনো সমস্যা নেই । বরং ২/৩ মাসের মধ্যে হাঁস ডিম দেওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে ।
নাজমুল হোসেনের খামারে এখন হাঁসের সংখ্যা ২০০০
গ্রামে নাজমুল হোসেন কে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকে হাঁস পালনে উৎসাহিত হচ্ছে ।

এ বিষয়ে নাজমুল হোসেন বলেন, হাঁস পালন করে যুবকরা অর্থনৈতিক ভাবে স্বচ্ছল হতে পারে । এর জন্য দৃঢ় মনোবল ও পরিশ্রম করতে হবে ।
তিনি আরো বলেন সরকারী ভাবে সহজ শর্ত ও স্বল্প সুদে ঋণ পেলে এবং কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ পাওয়া গেলে তাঁর খামার আরো বড় করতে পারবেন । তিনি বাচ্চা ফুটানোর ব্যবস্থা করে অন্য আগ্রহী তরুণ উদ্যোক্তাদের মাঝে বাচ্চা সরবরাহ করতে পারবেন ।

আমরা ৬৮ হাজার গ্রামবাংলার হাজারো নাজমুল হোসেন দের সফলতার গল্প শোনাতে চান।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'