কামারখন্দে খাচায় চাষ করা মাছে ক্রেতা-সাধারণের বিপুল আগ্রহ

খাঁচায় চাষ করা মাছে ক্রেতা-সাধারণের বিপুল আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আধুনিক এই মাছচাষ পদ্ধতি। নদী বা খাল-বিলে স্থাপন করা খাঁচায় চাষ হওয়ায় মাছ বেড়ে ওঠে প্রকৃতির মতোই। এই মাছ একেবারে প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত মাছের অনুরূপ স্বাদ পাওয়ায় ক্রেতার বিপুল আগ্রহ লক্ষ করা যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়—কামারখন্দ উপজেলা সংলগ্ন তেঁতুলিয়া গ্রামে বাজারঘাট সংলগ্ন ফুলজোড় নদীতে খাঁচায় মাছচাষ করা হচ্ছে। সমবায় ভিত্তিতে এই মাছচাষে তারা বেশ লাভবান হয়েছেন। প্রায় প্রতিদিনই তারা খাঁচা থেকে মাছ তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এমনকি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার ভীড় সবসময় লেগেই থাকে। কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়— এই মাছ খেতে নদীর মাছের মতো হওয়ায় তারা প্রায়ই এই মাছ কিনে থাকেন।

খাঁচায় মাছচাষ করার এই আধুনিক পদ্ধতি আমাদের দেশে নতুন হলেও তবে পৃথিবীর মৎস্য চাষের ইতিহাসে এটি নতুন ঘটনা নয়। জানা যায়— চীনের ইয়াংঝি নদীতে প্রায় সাড়ে সাতশ’ বছর আগে খাঁচায় মাছ চাষ শুরু হয়। তবে আমাদের দেশে ২০০২ সালে থাইল্যান্ডের অনুকরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রথম চাঁদপুর জেলার ডাকাতিয়া নদীতে এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে সারাদেশেই জনপ্রিয় হয়ে উঠে এই পদ্ধতি।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'