সামাজিক দূরত্ব না মেনেই সরিষাবাড়ীতে নেওয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎবিল।

মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধিও

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন সরিষাবাড়ী জোনাল অফিস ও তারাকান্দি অভিযোগ কেন্দ্রে বৈশ্বিক মহামারি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর প্রাদুর্ভাবেও সরকার কর্তৃক লকডাউনকে উপেক্ষা করে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মেনেই নেওয়া হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিদ্যুৎবিল।

জানা গেছে, সরিষাবাড়ী জোনাল অফিসের নির্দেশে তারাকান্দি অভিযোগ কেন্দ্রের কর্মকর্তা গত কয়েকদিন আগে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য এলাকায় মাইকিং করেন এবং যথাসময়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা না হলে বিনা নোটিশে বিদ্যুৎ সংযোগ কর্তন করা হবে বলে জানান।

যার প্রেক্ষিতে অত্র এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা সংযোগ বিচ্ছিন্নের ভয়ে এবং কর্তৃপক্ষের চিরাচরিত দৌরাত্ম্যের হাত থেকে বাঁচার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহামারি করোনার মধ্যেও লকডাউন উপেক্ষা করে বিদ্যুৎ বিল দিতে এসেছেন বলে গ্রাহকেরা জানান। এদিকে তারাকান্দি অভিযোগ কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের নিরাপত্তার জন্য সরকার ঘোষিত কোন স্বাস্থ্য বিধি বা সামাজিক দূরত্বের ব্যবস্থাই রাখেননি।

তারা পূর্বের দিনগুলোর মত গদাগদি ভাবে গ্রাহকদের লাইনে দাঁড় করিয়ে বিদ্যুৎ বিল নিচ্ছেন বলে দৃশ্যমান হয়। এবিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাভুক্ত সরিষাবাড়ী জোনাল অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা (ডিজিএম)প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরিষাবাড়ী জোনাল কার্যালয় এবং তারাকান্দি অভিযোগ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করা হচ্ছে। গ্রাহকদের বলা হচ্ছে আপনারা তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন কিন্তু তারা কোন কথাই শুনছেন না।

তবে সামাজিক দূরত্বের জন্য এখনো কোন সার্কেল বা বৃত্ত দেওয়া হয়নি। যদি প্রয়োজন হয় পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান। এদিকে সচেতন মহল বলছেন, করোনার মহামারিতে যেখানে ঘর হতে বাহিরে আসাই নিষেধ, সেখানে তারা মাইকিং করে ভয় দেখিয়ে কিভাবে বিদ্যুৎ বিল নিচ্ছেন এটা অযৌক্তিক বলে জানান।

"স্বাধীনতার মহান স্থপতির এক (০১) আদর্শের" তত্ত্বীয় গবেষণাগার কর্তৃক সত্য প্রকাশে বিশ্বস্ত একটি অনলাইন পোর্টাল 'দৈনিক তরঙ্গ বার্তা'